শুক্রবার ‘কন্যারত্ন দিবস’ উপলক্ষে চালু করা হল নতুন হেল্পলাইন নম্বর।
শুক্রবার ‘কন্যারত্ন দিবস’ উপলক্ষে চালু করা হল নতুন হেল্পলাইন নম্বর। ওই নম্বরের মাধ্যমে সরকারি প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য যেমন জানা যাবে। তেমনই প্রয়োজন অনুযায়ী, আইনগত ও জরুরি পরিষেবার জন্যও যোগাযোগ করতে পারবে তারা।
এ দিন ‘কন্যারত্ন দিবস’ অনুষ্ঠানের মঞ্চ এই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানালেন, ১৮১ নম্বরে ফোন করে মেয়েদের জন্য চালু থাকা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। একইসঙ্গে কোনও জরুরি পরিস্থিতিতে পুলিশ, দমকল ও অ্যাম্বুল্যান্সের মতো পরিষেবার সঙ্গেও যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকবে।
শুধু জরুরি পরিষেবা নয়, মেয়েদের সহায়তার জন্য থাকা ‘ওয়ান স্টপ সেন্টার’গুলির সঙ্গেও এই হেল্পলাইনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যাবে। ফলে কোনও মেযে বা ‘কন্যারত্ন’-রা সমস্যায় পড়লে আলাদা আলাদা নম্বর খোঁজার পরিবর্তে একটি নম্বরেই প্রয়োজনীয় সহায়তার পথ খুঁজে নিতে পারবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, সরকারের লক্ষ্য, মেয়েদের জন্য থাকা বিভিন্ন প্রকল্প ও পরিষেবার তথ্যকে আরও সহজলভ্য করা এবং বিপদের সময়ে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। বিশেষ করে আইনগত সহায়তা, নিরাপত্তা এবং জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে ১৮১ হেল্পলাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
‘কন্যারত্ন’ উদ্যোগের আওতায় মেয়েদের সুরক্ষা, শিক্ষা ও ক্ষমতায়নের পাশাপাশি মহিলাদের জন্য পরিষেবা ব্যবস্থাকে আরও সহজ করার লক্ষ্যেই এই নতুন হেল্পলাইন চালু করা হল।
শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানে জানান, পশ্চিমবঙ্গকে এবার কেন্দ্রের ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি মেয়েদের সহায়তায় ‘পালনা’ প্রকল্প চালুর কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।
মাত্র ১০০ দিনের সরকারের মধ্যেই ‘কন্যারত্ন’ দিবসের আয়োজন করতে পেরে নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতরকে অভিনন্দন জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, বিদ্যাসাগরের নারীশিক্ষার ভাবনা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারীর সুরক্ষার আদর্শকে সামনে রেখেই রাজ্য সরকার কাজ করছে।
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, সরকারের আট মাসের বাজেটে কর্মসংস্থানে মহিলাদের অধিকার থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত একাধিক ক্ষেত্রে পদক্ষেপ করা হয়েছে। আর্থিক কারণে যাতে কোনও কন্যাকে পড়াশোনা ছেড়ে দিতে না হয়, সেই লক্ষ্যেই সরকার একাধিক কর্মসূচি নিচ্ছে বলে জানান তিনি।
